গনোরিয়ার উপসর্গ

গনোরিয়ার উপসর্গ সাধারনত সংক্রমিত হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে দেখা দেয়, তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেক মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও নাও দেখা দিতে পারে। সংক্রমিত পুরুষদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে ১ জন এবং সংক্রমিত মহিলাদের মধ্যে অর্ধেক কোন সুস্পষ্ট উপসর্গ প্রত্যক্ষ করেন না, যার ফলে কখনো কখনো এটি চিকিৎসাহীনই থেকে যায়। মহিলাদের উপসর্গ মহিলাদের ক্ষেত্রে, গনোরিয়ার উপসর্গঃ যোনীপথে অস্বাভাবিক নিঃসরণ, যা ঘন এবং সবুজ অথবা হলুদ হতে পারে প্রস্রাবের সময় ব্যথা অথবা জ্বালাপোড়া হতে পারে তলপেটে ব্যথা (এটা কম দেখা যায়) দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে রক্তপাত, ভারী মাসিক এবং সহবাসের পর রক্তপাত (কম দেখা যায়) পুরুষদের উপসর্গ পুরুষদের ক্ষেত্রে, গনোরিয়ার উপসর্গ প্রস্রাবের রাস্তা থেকে অস্বাভাবিক নিঃসরণ, যা সাদা, হলুদ, সবুজ হতে পারে প্রস্রাবের সময় ব্যথা অথবা জ্বালাপোড়া হতে পারে লিঙ্গের মাথার চামড়ায় প্রদাহ (ফোলা) অন্ডকোষের ফোলা এবং ব্যথা (খুব কম দেখা যায়) মলদ্বার, গলা অথবা চোখে সংক্রমন যদি পায়ুপথে বা মুখে কনডম ছাড়া সহবাস করা হয় তবে মলদ্বার, গলা অথবা চোখে পুরুষ এবং মহিলা উভয়েরই সংক্রমন হতে পারে। যদি সংক্রমিত বীর্য অথবা যোনীর তরল চোখে যায়, তবে চোখের সংক্রমণও (কঞ্জাংক্টিভাইটিস) হতে পারে। মলদ্বারে সংক্রমন হলে অস্বস্তি, ব্যথা এবং রস নিঃসরণ হতে পারে। চোখে সংক্রমন হলে ব্যথা, ফুলে যাওয়া এবং ক্রমাগত পানি পড়তে পারে। গলায় সংক্রামনে কোন উপসর্গদেখা যায় না । চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া যদি আপনি মনে করেন আপনার সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তবে অবশ্যই আপনার গনোরিয়ার পরীক্ষা করানো উচিত। এমনকি আপনার কোন সুস্পষ্ট উপসর্গ না থাকলেও অথবা উপসর্গ নিজ থেকে চলে গেলেও পরীক্ষা করে দেখা উচিত। যদি গনোরিয়ার চিকিৎসা না হয়, অথবা অনির্নিত থেকে যায়, তাহলে আপনি সংক্রমন ছড়িয়ে দিচ্ছেন এবং একই সঙ্গে সুপ্তভাবে আপনার ভিতরে গুরুতর জটিলতা যেমন বন্ধাত্ব সৃষ্টি হওয়ার ঝুকি থেকে যাবে।